ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসির চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) নিট লোকসান বেড়েছে ৫১ দশমিক ৭১ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ৭৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে জিএসপি ফাইন্যান্সের সুদ আয় হয়েছে ৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৮০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২০ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিএসপি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৭৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৬০ পয়সায়।
এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ অক্টোবর।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯ টাকা ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৫ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৭৮ পয়সায়।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিএসপি ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৫৭ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১২৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৫। এর ১২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৭ দশমিক ৪৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫০ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।